পুলিশি হেফাজতে মোর্চা নেতা বরুণ ভুজেলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ কালিম্পঙে

বাংলা হান্ট ডেস্ক: হিলটপ ট্যুরিস্ট লজে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল কালিম্পং পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বরুণ ভুজেলকে। বুধবার পুলিশি হেফাজতে থাকা অবস্থায় ভুজলের মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের কালিম্পঙে বন্ধ বাজার, দোকান। এলাকা সম্পূর্ণ থমথমে। মোর্চা সমর্থকরা প্রয়াত নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখায় ডাম্পারচকে। এছাড়াও বিমল গুরুংও বরুণের মৃত্যুরর প্রতিবাদে একটি অডিও বার্তা দিয়েছে। সেই অডিও বার্তায় গুরুং দাবি করেছে, পুলিশি অত্যাচারেই মৃত্যু হয়েছে ভুজেলের। তিনি পাহাড়বাসীকে এই মৃত্যুর প্রতিবাদ জানাতে সোশ্যাল মিডিয়াকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন ও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে বলেন।

এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিমল গুরুংয়ের পাশাপাশি বিজেপি নেতৃত্বও আসরে নেমে পড়েছেন। রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ দাবি করেছেন পুলিশি গাফিলতিতে বরুণের মৃত্যু হয়েছে। কেন তার সঙ্গে পরিবারেরর দেখা করতে দেওয়া হয়নি সেই নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দিলীপ। মোর্চা সমর্থকদের মধ্যে বাড়তে থাকা ক্ষোভে একপ্রকার ঘৃতাহুতি করলেন দিলীপ ঘোষ এমনটাই মনে করছে বুদ্ধিজীবি মহল।

প্রসঙ্গত, জেল হেফাজতে থাকাকালীন বরুণ প্যানক্রিয়াসে সংক্রমণের সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রথমে তাঁকে চিকিত্‍‌সার জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে এবং অবস্থার পরিবর্তন না হওয়ায় কলকাতার এসএসকেএমে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই আজ ভোরে বরুণের মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ পুলিশি গাফিলতিতেই বরুণের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বুদ্ধিজীবি মহল। কেননা পাহাড় কিছুটা হলেও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছিল। কিন্তু বিমল গুরুংয়ের অডিও বার্তা বা কালিম্পং এর বিক্ষোভ কর্মসূচী চিন্তায় ফেলেছে রাজ্য প্রশাসনকে। সেইসঙ্গে বিজেপিও ইন্ধন যোগান দিচ্ছে মোর্চা সমর্থকদের। তাই পাহাড়ের ভবিষ্যত কি হবে সেটাই দেখার বিষয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


  • Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
    error: Content is protected !!