SPECIAL STORY বুদ্ধ- মমতা কি এবার লোকসভাতে এক সাথে প্রচারে নামতে চলেছে?

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ৩৪ বছরের বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় এসেছিল মা-মাটি-মানুষের সরকার। সেই সরকারেরও দেখতে দেখতে বেশ কয়েক বছর হয়ে গেল। সামনেই লোকসভা নির্বাচন।সেই লোকসভা নির্বাচনের লক্ষ্যে এবার রণনীতি প্রস্তুত করতে চলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। লোকসভা নির্বাচনকে লক্ষ্য করে ইতিমধ্যেই ময়দানে নেমে পড়েছে শাসক দল তৃণমূল। রাজ্যে তৃণমূলকে প্রধানত বিরোধিতা করছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রে বিজেপি বিরোধিতার ডাক দিয়েছে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি।

রাজ্যের তরফে বিজেপি বিরোধিতার প্রধান হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে দেখতে চাইছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেই লক্ষ্যে আগামী ১৯ শে জানুয়ারি ব্রিগেডের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ব্রিগেডে দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব উপস্থিত থাকবে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যেই অন্যান্য দল গুলির পাশাপাশি বিজেপিকে একঘরে করতে ব্রিগেডে সিপিএমকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী তথা পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কিছুদিন আগে সিপিএম নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এর সাথে দেখা করতে যান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্বে জ্যোতি বসু অসুস্থ থাকার সময় জ্যোতি বসুর সাথে বহুবার সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে দেখা গিয়েছিল তৃণমূল নেত্রী কে।

এমনকি শেষ বেলায় জ্যোতি বসুর সাথে এক প্রকার ভালো সম্পর্ক হয়ে উঠেছিল তৃণমূল নেত্রীর। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে কোনঠাসা করার জন্য রাজ্যে অন্যান্য দলগুলিকে একসাথে করতে চাইছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লক্ষ্যে সিপিএম কেও ব্রিগেডে ডাক দিয়েছেন।

তবে সিপিএমের তরফে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য অসুস্থতার কারণে ময়দানে নামতে না পারলেও লোকসভা নির্বাচনে বাম দলের অন্যান্য নেতৃত্ব লড়াই করবে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই মুহূর্তে সিপিএমের তরফে মমতার ডাকা ব্রিগেড এ যাওয়ার ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি বলে জানা যায়।তাহলে কি ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে তৃণমূল একসাথে সিপিএম এর সাথে প্রচারে নামবেন? সেই বিষয়ে জল্পনা থেকেই যাচ্ছে। যদিও সমস্ত জল্পনার অবসান হবে ১৯ জানুয়ারি ব্রিগেডের মঞ্চেই।

আরও পড়ুন   পুলিশ কমিশনার বদলের দিনেই চুরি

এদিকে কেন্দ্র সিপিএম ও তৃনমূল এক সাথে লড়াই করলেও রাজ্যে তারা কি এক সাথে লড়াই করবে? তা কিন্ত সঠিক ভাবে বলতে পারছে না। তৃনমূল যদি সিপিএমকে সাথে নিয়ে লড়াই করে তা হলে তৃনমূল তাদের নিতি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠবে। আবার সিপিএম যদি একা লড়াই করে তা হলে তাদের আসুন পাওয়া চাপ হয়ে যাবে। যদি বাংলা থেকে শূন্য হয়ে যায় লোকসভা নির্বাচনে তা হলে বিরোধী দলের গুরুত্ব হারাবে। সব মিলিয়ে তৃনমূল ও সিপিএমের জোট লোকসভা নির্বাচনে হয় কি না সেই দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

কারন কিছুদিন আগে মমতা ব্যানার্জী দেশের সব রাজনৈতিক দলকে একসাথে লড়াই করার আহবান দিয়েছেন। তৃনমূল যদি বাংলা থেকে একা লড়াই করে তা হলে তাদের ৪২মধ্যে অধীক অংশে সিট পাবে। আর সিপিএম ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাবে বিজেপি। বিজেপি আবার এই বিশয় গুরুত্ব দিতে নারাজ তাদের দাবী তারা যে ২২টা আসুনের লক্ষমাত্র নিয়েছে তা পূরনকরা তাদের প্রধান লক্ষ।

এখন দেখার বিশয় আগামী ২০১৯যে বিগ্রেড সভার ডাক দেওয়া হয়েছে তৃনমূলের পক্ষথেকে। সেই মঞ্চে সিপিএম ও তৃনমূলের একসাথে বিজেপি বিরোধী হাওয় তুলতে পারে কি না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


  • Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
    error: