প্রথম দফার ভোটে সন্ত্রাস, সঠিক ভোট করানোর দাবীতে বিজেপি

 

বাংলাhunt

প্রথম পর্যায়ের নির্বাচন সমাপ্ত হয়েও হলো না আজ উত্তরবঙ্গের দুটি আসনে আজ নির্বাচন আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার আলিপুরদুয়ার কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৬ লক্ষ ৪৩ হাজার ৬১৬ জন। ১৮৪০ যার মধ্যে ৮১৪ টিতে মোতায়েন করা হয়েছে আধাসেনা আর ১হাজার ২০ টি বুথে মোতায়েন করা হয়েছে রাজ্য পুলিশ। ৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রে বাহিনীকে মোতায়ান করা হয়েছে। সারা দিন সকাল থেকেই এই কেন্দ্রের বিভিন্ন জায়গা থেকে গন্ডগোলের খবর আসতে থাকে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সেই ছবি প্রচারিত করা হয় দফায় দফায়৷ আলিপুরদুয়ারের বিজেপির প্রার্থী অভিযোগ করেন পুলিশের সামনে তাকে ও তাদের সর্মথকে হেনস্থা করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকরা করেছে এবং মোবাইলটি ভেঙে দেওয়া হয়। তৃণমূল বিরোধী দলের উপর সাদা কাগজ লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করে বিজেপি। তার সাথে সাথে কোচবিহার কেন্দ্রে সকাল থেকে একাধিক গন্ডগোলের খবর আসতে শুরু করে কোচবিহার কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ লক্ষ ১০হাজার ৬৬০জন প্রার্থী আছে। ১১জন বুথের সংখ্যা ২০১০ যার মধ্যে ১২৫৩টি বুথে আধাসেনা মোতায়েন করা হয় এবং ৭৫৭টি বুথে রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

 

এই কেন্দ্রে বাম প্রার্থী পরেশ অধিকারী অভিযোগ তার গাড়ি ভাঙচুর করে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকরা। কিন্তু মানতপ না রাজ তৃনমূল। মাথাভাঙ্গা বিধানসভা কেন্দ্রে বোমাবাজির করা হয়। মাথাভাঙা একটি বিজেপির পোলিং এজেন্টকে বুঝতে না দেওয়ার অভিযোগ করে বিজেপি। শীতলকুচি তে মহিলাদের ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল।

কোচবিহার দিনহাটা একটি বুথে ইভিএম মেশিন ভাঙচুর চালানো হয় অভিযোগ করা হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের করে। একই সাথে ইভিএম মেশিন ভাঙচুর হয়। এছাড়াও বিজেপির উপরে পুলিশকে ঘিরে বৃষ্টি হতে থাকে। পুলিশের দুজন কর্মী আহত হয়। পুলিশের অভিযোগ বিজেপির কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে তৃণমূলের অভিযোগ আক্রমণ চালায়। একই দিকে দিনহাটার করার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে এইমাত্র পাওয়া খবর অনুযায়ী কোচবিহার কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ৭৮৭। যেখানে রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করা ছিল। সেখানে প্রায় ২০০ টি বুথে পুনঃনির্বাচনের দাবিতে ডিএম অফিস এ ধরনায় বসেছেন বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের। নিরাপত্তায় থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে রাজ্য পুলিশের ধাক্কাধাক্কি হয়। সেখানে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী গণমাধ্যমে লোকেদের বার করে দেওয়া হয় বলা অভিযোগ ওঠে। ১৪৪ধারা জারি করতে হবে। বিজেপি প্রার্থীর দাবী ২০০টি বুথে পুননির্বাচন করতে হবে। বিজেপি দাবী করেছেন ভোট লুট হয়েছে তৃণমূল গুন্ডাবাহিনী, মানুষকে ভোট দিতে দেয়নি, যতক্ষণ এই দাবি না মেনে নেওয়া হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমি ধরনায় বসে থাকব একথা বলেন নিশীথ প্রামানিক। মধ্যরাতে অবস্থান ডিএম অফিসের সামনে বসে থাকে। কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ আসে রাজ্য পুলিশের হোমগার্ড কেন্দ্রীয় বাহিনীর পোশাক পড়ে ভোট করছেন। অন্যদিকে রাজ্যের মন্ত্রী উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ অভিযোগ করেন যে প্রায় ৪৮ ইভিএম খারাপ হয়েছে, এর পিছনে বিজেপির ষড়যন্ত্র রয়েছে। এদিকে নিজের কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন। সূত্রের খবর সকাল থেকে উত্তেজনা থাকায় সাথে সাথে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করেন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। এর সঙ্গে তিনি খবরা খবর নেন ভোটের কি পরিস্থিতি। এদিকে আলিপুরদুয়ার কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দশরথ তিরকে নিজের ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে মেশিন খারাপ থাকার জন্য ইভিএম মেশিন খারাপ থাকার জন্য তিনি ভোট দিতে পারেননি কিন্তু তিনি দলীয় প্রতীক চিহ্ন তার পাঞ্জাবিতে তার বুকে কান লাগিয়ে তিনি ভোট দিতে ঢোকেন বলে অভিযোগ করে বিরোধীরা। তিনি গণমাধ্যমের সামনে তার সেই প্রতি খুলে নেন এবং তিনি ক্ষমা প্রার্থী। সব মিলিয়ে কোচবিহার আলিপুরদুয়ারে যেভাবে প্রথম দফায় ভোট হল, যদি ও ভোটের ধারাবাহিকতা থাকে তাহলে আগামী ভোট গুলোতে সাধারণ মানুষের মনোবল ভাঙ্গবে এবং সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। আজ বিকাল বেলা নির্বাচন কমিশনকে দফায় দফায় আবেদন জানিয়েছে সব রাজনৈতিক দল। নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দ্বিতীয় দফার ভোটে আরো কেন্দ্রীয় বাহিনী তারা মোতায়েন করবে।

প্রতি মুহূর্তের সব রকম খবর জানতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইট করুন


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *