গ্রিজমান বনাম পায়েত এর লড়াই কে কেন্দ্র করে আজ জমজমাট ইউরোপা লিগের ফাইনাল

 

অজয় রায়, বাংলা হান্ট : আজ ফ্রান্সের লিয়ঁ তে ইউরোপা লিগের ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, মার্সেই। ইতিমধ্যে এই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে ফুটবল প্রেমী দের মধ্যে।

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ এর ট্রফি কেবিনেট এ ইতিমধ্যে দুই দুটি ইউরোপা লিগের ট্রফি আছে। এছাড়া ২০১৪ এবং ২০১৬ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠেছে সিমিয়োনের দল। প্রসঙ্গত দুইবারই রিয়াল মাদ্রিদ এর কাছে হার মানে তারা। এই ফাইনাল খেলার অভিজ্ঞতা আজ তাদের ম্যাচে খানিকটা হলেও এগিয়ে রাখবে। এমনটাই মনে করছেন এই আর্জেনটাইন কোচ। ডিফেন্স থেকে এট্যাক প্রতি বিভাগেই কোচ কে নির্ভরতা দিচ্ছে কোচকে। এই লা লিগা সিজনে মাত্র ২০ টি গোল খেয়েছে অ্যাটলেটিকো। সুতরাং তাদের বিরুদ্ধে গোল দিতে গেলে যে যথেষ্ট বেগ পেতে হবে পায়েত দের তা ধরে নেওয়াই যায়।

অন্যদিকে ১৯৯৩ এর পর ফের উয়েফা এর কোনো ক্লাব টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠল মার্সেই। সেইবার মিউনিখে, মিলান কে ১-০ গোলে হারিয়ে গোটা বিশ্ব কে চমকে দিয়েছিলো ফ্রান্সের এই দল। গোল করে রাতারাতি তারকা হয়ে উঠেছিলেন বেসিলে বোলি। এরপর ক্রমশ বন্ধ এখনও অবধি ফ্রান্সের আর কোনো ক্লাব এমন সাফল্য পায়নি তাই ফের আজ আরেকবার সুযোগ আসাতে রুডি গার্সিয়ার ছেলেদের যে বাড়তি দায়িত্ব নিতেই হবে সে কথা এক প্রকার বলা যেতেই পারে। খানিকটা আন্ডার ডগ হিসেবে আজ ফাইনাল ম্যাচ শুরু করবে বলে চাপমুক্ত খেলা খেলতে পারবে এই ফ্রেঞ্চ টিম। যা আজ পায়েত, রোলান্ডো দের অন্যতম প্লাস পয়েন্ট।

আজকের ফাইনাল টা গ্যালারি থেকেই দেখতে হবে ডিয়েগো সিমিয়োনেকে।সেমিফাইনালে আর্সেনাল এর বিরুদ্ধে প্রথম লেগের ম্যাচে লাল কার্ড দেখার ফলে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ এর ডাগ আউটে দেখা যাবে না তাকে। 

তার বদলে আজ দল সামলাবেন তার সহকারী মোনো বুর্জেস। মাঠে না থাকার দুঃখ থাকলেও নিজের জার্মান সহকারীর উপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন ডিয়েগো সিমিয়োনের।

খাতায় কলমে সিমিয়োনে ছেলেরা এগিয়ে থাকলেও আজ লিঁয় তে ১৯৯৩ এর রাত ফিরিয়ে আনতেই পারবে কি পায়েত রা? এবারের বেসিলে বোলি হয়ে উঠতে পারবে কি রোলান্ডো? সেইবার এই ডিফেন্ডার এর গোলে ইউরোপ সেরা হয়েছিল মার্সেই। নাকি দেশের মাটিতে নায়ক হয়ে উঠবে গ্রিজমান? উত্তর জানতে নজর রাখুন আজ রাত টিভি পর্দায়। ১২:১৫ থেকে টেন ২ তে সম্প্রচার হবে এই ম্যাচের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *