ঠিক কতটা জমলো “ক‍্যাপ্টেন মার্বেল” ?

 

অজয় রায় , বাংলা hunt ডেস্ক: ছবির মুক্তির পর থেকেই চারপাশে শুধু নিরাশার চিৎকার।দেশ হোক অথবা বিদেশ সব জায়গায় দর্শকদের এই ছবি ঘিরে শুধু হতাশা।অথচ যখন ছবির প্রথম ট্রেলার মুক্তি পায় তখন পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ আলাদা , আর হবে নাই বা কেনো ” এমসিউ ” এর প্রথম মহিলা সুপারহিরো হিসেবে আবির্ভাব হতে চলেছে ” ক‍্যাপ্টেন মার্বেল” , যে কিনা ” এ্যভেন্জার্স : এন্ড গেমে থানোসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিতে চলেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা! কাল আমিও দেখলাম এই ছবিটি।তাই আপনাদের সামনে আমার কিছু এই ঘিরে ব‍্যক্তিগত অনুভূতি আপনাদের সাথে ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করলাম।

কোনও কিছুই মনে রাখতে পারে না ক‍্যারোল ডেনভরস।এই যেমন কেমন ভাবে “ক্রি” গ্রহে এসেছে সে , কোন মহিলা বার বার দুঃস্বপ্নে আসছে তার।এমন অনেক প্রশ্ন ছবির দর্শকদের মনে তৈরি করে শুরু হয় ” ক‍্যাপ্টেন মার্বেল” ছবির গল্প।ইতিমধ্যে মার্বেল সিনে জগতে তৃতীয় পর্বের অন্তিমের একধাপ আগে উপস্থিত হয়েছি আমরা,গল্প অনুযায়ী থানোসের সাথে লড়াইয়ে ধরাশায়ী গোটা এ্যভেন্জার্স।ঠিক এইরকম একটি মুহূর্তে আবির্ভাব হলো ” ক‍্যাপ্টেন মার্বেল” এর।যে কিনা আগামী মাসে মুক্তি পেতে চলা ” এন্ড গেম” থানোস কে মাত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে চলেছে।

আবার ফেরা যাক গল্পে,শরীরে অমানুষিক শক্তির অনুভব করেন ডেনভরস, কিন্তু তা সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না সে।তাকে তার শক্তি নিয়ন্ত্রন করানোর চেষ্টা চালাচ্ছে তার গুরু ইয়ন রগ।পরবর্তী সময়ে ” স্ক্রালস” বিরুদ্ধে একটি অভিযানের পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে চলে আসে ক‍্যারল।প্রসঙ্গত, এমন ছবির শুরু থেকে শেষ জুড়েই বর্তমান।যা আমার বড্ডো একঘেয়ে লেগেছে।

নব্বইয়ের দশক, ক‍্যারল এখন পৃথিবীতে।লস এ্যন্জেলেসে তার উপস্থিতি টের পেয়েছে শিল্ডের দুই জগৎ বিখ্যাত এজেন্ট নিক ফিউরি এবং ফিল কলিন্স।যাদের আমরা ” এম সি ইউ ” এর আগের ছবি গুলিতেও দেখেছি।তবে এখানে তারা স্বাভাবিক ভাবেই অনেকটাই আলাদা।কারন সময় কাল নব্বই, এই ছবির সবচেয়ে বড়ো চমক এই পর্বেই, নিক ফিউরি, যাকে কিনা আমরা এতবছর একজন গুরুগম্ভীর মানুষ রুপেই দেখে এসেছি তার যৌবনের দিন গুলিতে তিনি কেমন মজাদার মানুষ ছিলেন তা দেখে অবাক হতে হয়, কুর্নিশ জানাতে হয় ছবির সিজিআই এফেক্ট কে।উল্লেখিত দুই চরিত্রে অভিনয়কারী যথাক্রমে স‍্যামুয়েল জ‍্যাকসন ( নিক ফিউরি )এবং ক্লার্ক ক্রেগ ( ফিল কউলসন) কে চেনাদায় !

ফিরি গল্পে, যদিও এটাই শেষ ফেরা , কারন এরপর আমার আর বিশেষ কিছু বলার নেই, কারন ছবির চিত্রনাট্যকার বলার আর বিশেষ কিছু রাখেনি বরং ক‍্যারোল ডেনভরস কে ক‍্যাপ্টেন মার্বেল করে তুলতে বড্ডো তাড়াহুড়ো করে ফেলেছেন তিনি।

পৃথিবীতে আসার পর নিজের অস্তিত্ব পরিচয় খানিকটা জানতে পারেন ডেনভরস।যদিও গোটা বিষয়টি খুব ভাসা ভাসা।থাক আর গল্প নিয়ে কিছু বলবো না ছবিটি দেখে নিন আপনারা।

ছবিটি দেখার মতো কিছুই নেই, মার্বেল সিনে জগতের সবকটি ছবিকে যদি খারাপ ভালো নিরিখে বিচার করা হয় তাহলে এই ছবি থাকবে একে নিচে,এমন অনেক কথা এই ছবি সম্পর্কে শুনেছি এবং দেখেছি আমার আর বিশেষ কিছু বলার নেই ।তবে গোটা ছবিতে যে কয়েকটি বিষয়ে আমার ভালো লেগেছে আমি সেই গুলো বলছি।

১. ছবির শুরুতেই ” MARVEL ” এ সুপারহিরোদের বদলে তাদের জন্মদাতা কিংবদন্তি স্টান লি এর উপস্থিতি।

২.ছবির নব্বইয়ের দশক এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে ব‍্যবহৃত বেশ কিছু গান

৩.স‍্যামুয়েল জ‍্যাকসনের অভিনয় , গোটা ছবিটি জমিয়ে রেখেছেন তিনি!

৪.পোস্ট আর এ্যন্ড ক্রেটিড, যা সবার ভালো লাগে!

৫. ছবিটি হিন্দিতে দেখেছি , বেশ কিছু সংলাপ খুব ভালো।

আর সবকিছু শেষে এক অনুভূতি যা কিনা মনে করিয়ে দিয়েছে আগামী মাসেই মুক্তি পেতে চলেছে ” এন্ডগেম ” ।

প্রতি মুহূর্তের সব রকম খবর জানতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইট করুন


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *