বাংলাদেশের গ্রেনেড মামলার ঐতিহাসিক রায়

ঢাকা ব্যুরোঃ
বাংলাদেশের ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট শেখ হাসিনার উপর হওয়া গ্রেনেড হামলার ঐতিহাসিক রায় ঘোষিত হোল।
একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার প্রধান কৌঁসুলী সৈয়দ রেজাউর রহমান চৌধুরী বলেছেন, এ রায়ের মধ্য দিয়ে জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। ১৬ কোটি মানুষ যে রায়ের অপেক্ষায় ছিলেন, আজ সে রায় হয়েছে।

মামলার রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্য দিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার লক্ষ্যে এই গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।’

তিনি বলেন, তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের প্রথমসারির নেতাদের হত্যা করাই ছিল এই হামলার প্রধান টার্গেট।

রেজাউর রহমান বলেন, এ রায় পর্যালোচনা করে পরে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে। তবে প্রয়োজন হলে সিদ্ধান্ত নিয়ে আসামীদের সাজা বাড়ানোর জন্য উচ্চ আদালতে যাবো।

রাষ্ট্রপক্ষের অপর আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, তারেকের নেতৃত্বে আবদুস সালাম পিন্টু, বাবরসহ হাওয়া ভবনে একাধিক মিটিং করে ষড়যন্ত্র করেছে। তারেকের নেতৃত্বেই এ হামলা চালানো হয়েছিল।

একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।

মামলার অন্য ১১ জন আসামীকে বিভিন্ন মেয়াদের সাজা দেওয়া হয়।

নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে অবস্থিত ঢাকার ১নং অস্থায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন   গ্রাম বাংলায় ভোটে অরাজকতার দশটা জ্বলন্ত খবর--

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


  • Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
    error: