বাংলাদেশের ত্রাণ শিবিরে অস্তিত্ব সংকটে রোহিঙ্গারা!

 

বাংলা hunt ডেস্ক : মায়ানমার সেনার অত্যাচারে দেশ ছেড়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মায়ানমার বাংলাদেশ সীমান্তে আশ্রয় গ্রহণ করেছে। কিন্তু প্রবল বর্ষার ফলে বাংলাদেশের এই শরণার্থী শিবিরগুলি বর্তমানে এক হাঁটু জলের তলায়। পাশাপাশি শিবির লাগোয়া পাহাড়ে নানা জায়গায় ধ্বস নামতে শুরু করেছে। এর ফলে শরণার্থী রোহিঙ্গাদের অবস্থা তথৈবচ। বর্ষার শুরুতেই রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে একাধিক অংশ জলে ডুবে গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের কুতুপালং, কক্সবাজার প্রভৃতি এলাকায় অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় পেয়েছেন রোহিঙ্গারা। এই শিবিরগুলি মূলত বেড়া এবং প্লাস্টিকের ছাউনি দিয়ে তৈরি। কিন্তু বর্ষার জলে তার অধিকাংশই ভেঙে গিয়েছে বা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এর ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তাদের দিন কাটাতে হচ্ছে। অন্যদিকে শিবিরের চারপাশে জল জমে যাওয়ায় এবং পাহাড় থেকে ধ্বস নামার ফলে ওই শিবিরগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ত্রাণ সামগ্রী ও পৌঁছে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই শিবিরের ছাউনির চাপা পড়ে একটি তিন বছরের শিশু নিহত হয়েছে এবং তার মা আহত। পাশাপাশি জ্বর, ম্যালেরিয়া, কলেরা সহ প্রভৃতি রোগের প্রকোপ বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এছাড়াও সাপের উপদ্রব দেখা দিয়েছে। এবিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক ত্রাণ সরবরাহকারী সংস্থার কোঅর্ডিনেটর ফ্রান্সেসকো সেগনি।

অন্যদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও মায়ানমার সেনা দ্বারা রোহিঙ্গা নিপীড়নের তথ্য প্রকাশের জন্য প্রভাবশালী মার্কিন সিনেটদের আহবান জানান। এরফলে মায়ানমার সেনাবাহিনীকে বিচারের আওতায় আনা সহজ হবে। এই পাঁচ সিনেটর হলেন-সুসান কোলিনস, মর্কো রুবিও, জেফ মার্কলে, রিচার্ড ডুরবিন এবং টিম কেইন। মানবতাবিরোধী গণহত্যার মতো অপরাধ জনসমক্ষে প্রকাশ করার লক্ষ্যেই পম্পেই এই আহ্বান জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *