শেয়ার করুন

মধুরিমা ঘোষ : টেলিস্কোপের ধরাছোঁয়ার বাইরে পৃথিবী থেকে ১১ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এমনই এক তারা থেকে ভেসে এসেছে এক রহস্যময় সঙ্কেত।

সূর্যের চেয়ে প্রায় ২৮০০ গুণ ম্লান জ্যোতি সম্পন্ন মহাকাশের বামন তারা রস ১২৮ (জিজে ৪৪৭), তাকে কেন্দ্র করে আদৌ কোনও গ্রহ-উপগ্রহ প্রদক্ষিণ করে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। পৃথিবী থেকে ১১ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এমনই এক লালচে নক্ষত্র থেকে ভেসে আসা বেশ কিছু অদ্ভূত রেডিও সিগন্যালের সন্ধান পেয়েছেন পোর্তো রিও বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।টেলিস্কোপের সাহায্যে পোর্তো রিওর একটি সিঙ্কহোলের ভিতরে অবস্থিত আরেসিবো মানমন্দিরের বিশাল রেডিও ধরা পড়েছে সেই সঙ্কেত।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের প্রশ্ন, মহাকাশের ওই খুদে তারা থেকে কে পাঠালো এই সঙ্কেত?

পোর্তো রিও বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাকাশ জীববিজ্ঞানী এবেল মেন্ডেজের মতে, এর পিছনে ভিনগ্রহীদের প্রাণের অস্তিত্বের তত্ত্ব উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে মহাকাশে মানুষের তৈরি কোনও যন্ত্র বা উপগ্রহ ও সঙ্কেতের উত্‍স হতে পারে বলে তাঁর অভিমত।মেন্ডেজের দাবি, ‘আরেসিবো টেলিস্কোপের দৃষ্টিপথ যথেষ্ট চওড়া। হতে পারে তারা নয়, মহাকাশে ভেসে বেড়ানো কৃত্রিম উপগ্রহের মতো মানুষের তৈরি কোনও যন্ত্রের সঙ্কেত তাতে ধরা পড়েছে।’

রহস্যের কিনারা করতে আরও অনুসন্ধান প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন মহাকাশবিজ্ঞানীরা।তবে ভিনগ্রহীদের অবস্থানের তত্ত্ব ও তারা উড়িয়ে দিতে নারাজ

loading...
Loading...
শেয়ার করুন
Share a little biographical information to fill out your profile. This may be shown publicly.

আপনার মতামত প্রদান করুন